প্রচ্ছদ > জাতীয় >

ইউএন-হ্যাবিট্যাট এর বৈঠক, বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের সঙ্গে

article-img

বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল জাতিসংঘের আবাসন ও টেকসই নগর উন্নয়ন বিষয়ক সংস্থা ইউএন-হ্যাবিট্যাট এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে টেকসই, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং জলবায়ু সহনশীল নগর উন্নয়ন বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ফলপ্রসূ বৈঠকে অংশগ্রহণ করেছে। বৈঠকে বাংলাদেশের দ্রুত নগরায়ন, সাশ্রয়ী আবাসন, বস্তি উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা, সাশ্রয়ী আবাসন নীতি ও নির্দেশিকা, বস্তি উন্নয়ন ও পুনর্বাসন, স্থানিক পরিকল্পনা আইন বাস্তবায়ন, জেন্ডার সংবেদনশীল গণপরিসর নকশ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক নগর পরিকল্পনার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলে নেতৃত্ব দেন মোসাঃ ফেরদৌসী বেগম, চেয়ারম্যান, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ। প্রতিনিধি দলে আরও উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ আবদুল আওয়াল, উপসচিব, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং মোঃ আশরাফুল ইসলাম, চিফ টাউন প্ল্যানার, রাজউক।

ইউএন-হ্যাবিট্যাট প্রতিনিধি দলের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আনাক্লাউদিয়া রসবাক, নির্বাহী পরিচালক, ইউএন-হ্যাবিট্যাট; কাজুকো ইশিগাকি, আঞ্চলিক পরিচালক, ইউএন-হ্যাবিট্যাট রেজিওনাল অফিস ফর এশিয়া অ্যান্ড দ্য প্যাসিফিক, ফুকুওকা, জাপান; শ্রীনিভাসা পোপুরি, প্রধান, ইউএন-হ্যাবিট্যাট ব্যাংকক মাল্টি-কান্ট্রি প্রোগ্রাম অফিস, রেজিওনাল অফিস ফর এশিয়া অ্যান্ড দ্য প্যাসিফিক এবং ফারিবা আলম, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, ইউএন-হ্যাবিট্যাট বাংলাদেশ কান্ট্রি অফিস।

বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল দেশের নগর উন্নয়ন খাতে সরকারের চলমান উদ্যোগসমূহ তুলে ধরে। বিশেষ করে সাশ্রয়ী ও জলবায়ু সহনশীল আবাসন, কমিউনিটি অংশগ্রহণভিত্তিক উন্নয়ন, নারী ও প্রতিবন্ধীবান্ধব নগর অবকাঠামো, সবুজ ও পরিবেশবান্ধব নগরায়ন, বস্তি উন্নয়ন এবং নগর সেবার সম্প্রসারণ বিষয়ে বাংলাদেশের অগ্রাধিকার তুলে ধরা হয়।

এছাড়া বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল আবাসন নীতি উন্নয়ন, প্রযুক্তিগত সহায়তা, দক্ষতা বৃদ্ধি, গবেষণা, নগর পরিকল্পনায় ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার, জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো উন্নয়ন এবং সক্ষমতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে ইউএন-হ্যাবিট্যাট-এর সহযোগিতা কামনা করে।

ইউএন-হ্যাবিট্যাট কর্মকর্তারা বাংলাদেশের নগর উন্নয়ন ও জলবায়ু সহনশীল উদ্যোগসমূহের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতে টেকসই ও মানুষকেন্দ্রিক নগর উন্নয়নে কারিগরি সহযোগিতা, জ্ঞান বিনিময়, গবেষণা ও পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়নে একসাথে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

উভয় পক্ষ টেকসই নগর উন্নয়ন, সামাজিক অন্তর্ভুক্তি এবং জলবায়ু সহনশীল নগর ব্যবস্থা গড়ে তুলতে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা আরও জোরদারের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।


আরো খবর